• বৃহস্পতিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:৩৬ অপরাহ্ন
  • ই-পেপার
শিরোনাম :
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী সংঘের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পল্টুর দূর্নীতি-অনিয়ম তদন্তের নামে সময়ক্ষেপণ, ক্ষুদ্ধ বন্দরের কর্মচারীরা বর্ণাঢ্য আয়োজনে যবিপ্রবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালন রানীশংকৈলে তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা মোংলায় প্রধানমন্ত্রীর ৭৪ তম জন্মদিন পালন যশোরের শার্শার ডিহিতে গণহারে টিকা নিতে মানুষের উপচে পড়া ভিড় ছুরিকাঘাতের শিকার (এএসআই) পেয়ারুল ইসলাম মারা গেছেন স্বার্থপর সাধন কুমার দাস ঝিনাইদহের মোবারকগঞ্জ চিনি কল রক্ষায় প্রশংসনীয় উদ্যোগ নড়াইলে মহিলার যাবজ্জীবন কারাদন্ড!! নড়াইলে মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায়  এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত
নোটিশ :
সাপ্তাহিক রেড নিউজ এ আপনাকে স্বাগতম! এখন থেকে আপনারা প্রিন্ট ভার্সনের পাশাপাশি ২৪ ঘন্টা অনলাইনে খবরা-খবর দেখতে পাবেন। আমাদের সাথেই থাকুন, ধন্যবাদ। খালি থাকা সাপেক্ষে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগাযোগ - ০১৭১১-০৫৯৯৮৭

যশোর শহরের বিভিন্ন আবাসিক হোটেলের অন্তরালে চলছে অনৈতিক ব্যবসা

মোঃ আজগার আলী / ১৭৪ বার পড়া হয়েছে
আপডেটের সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন, ২০২১

 যশোর শহরে গড়ে ওঠা রেলরোডে আবাসিক হোটেল শাহানাজ ও বড়বাজার এলাকার ঝালায় পট্টিতে হোসেল নিরবে বোর্ডারের অন্তরালে পতিতা বৃত্তি শুরু হয়েছে। অসাধু পুলিশের সবুজ সংকেত পেয়ে আবাসিক হোটেলের মালিকের মদদপুষ্ট ম্যানেজার ও বয়দের সহায়তায় অবাধে চলছে পতিতা বৃত্তি।
দিনদিন এই ব্যবসা আশংকাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে আবাসিক হোটেল সংলগ্ন অন্যান্য ব্যবসায়ীরা অভিযোগ তুলেছে।খোঁজ নিয়ে জানাগেছে,যশোর শহরের এই দুটি আবাসিক হোটেল সহ যশোর সদর উপজেলায় গড়ে ওঠা ৪০টি আবাসিক হোটেলের কতিপয় আবাসিক হোটেল গুলির এখন মুল ব্যবসা পতিতাবৃত্তি।
কাক ডাকা ভোরে এই সব আবাসিক হোটেলগুলোতে বিভিন্ন বয়সের নারীদের উঠানো হয়। হোটেলের শ্রমিক হিসেবে উঠিয়ে নির্দিষ্ট কক্ষে রেখে শুরু হয় পতিতা বৃত্তি।
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে,যশোর শহরের রেলষ্টেশন সংলগ্ন আবাসিক হোটেল শাহানাজ মূলত ট্রেন যাত্রী তাদের মূল ব্যবসার কেন্দ্রবিন্দু। ট্রেন যাত্রীরা ট্রেন থেকে নেমে রাতে আবাসিক হোটেলে উঠে। হোটেলে উঠে তারা হোটেল ম্যানেজার ও বয়দের মাধ্যমে বিশেষ কক্ষে রাখা বিভিন্ন বয়সের যৌন কর্মীদের সামনে হাজির করেন। পছন্দমত পতিতার সাথে অর্থের বিনিময়ে মনোরঞ্জন চলে কক্ষগুলোতে।
এছাড়াও বড়বাজার এলাকায় ঝালায় পট্রিতে হোটেল নিরবসহ যশোর জেলায় কর্মরত অসাধু পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের সাথে সখ্যতা রেখে আবাসিক হোটেলের ম্যানেজার ও বয়রা তাদের পতিতা ব্যবসা জমপেশ ভাবে চালিয়ে যাচ্ছে।
সূত্রগুলো আরো বলেছে,যশোর শহরের বেশ কয়েকটি এলাকায় গড়ে ওঠা আবাসিক হোটেলের বোর্ডারের অন্তরালে মূলত চলে যৌনকর্মীদের আনাগোনা। কাক ডাকা ভোর থেকে অনেক হোটেলগুলোতে গভীর রাত পর্যন্ত রাখা হয় যৌন কর্মীদের। যাদের বয়স নুন্যতম ১৪ থেকে ৩৬ পর্যন্ত।
আবাসিক হোটেলগুলোতে খোঁজ নিয়ে আরো জানাগেছে,হোটেলের কাপড় চোপড় থেকে শুরু করে হোটেলে ঝাড় ফুকের কাজের জন্য ছবি দিয়ে থানায় পাঠানো হয়েছে আবাসিক হোটেলের শ্রমিকদের। নারী শ্রমিকদের দেখানো হয়েছে আবাসিক হোটেলের ঝাড়ূদার হিসেবে। মূলত তাদের দিয়ে করানো হচ্ছে পতিতাবৃত্তি।
এ ব্যাপারে পুলিশের কর্মকর্তাদের কাছে মাঝে মধ্যে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তারা বলেন বিষয়টি তারা জানেন না। খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দেন। তারপরও চলে এই ব্যবসা। তাই অবিলম্বে অর্থলোভী আবাসিক হোটেলের মালিক ও ম্যানেজারদের গ্রেফতার পূর্বক আইনের আওতায় আনার জন্য নবাগত পুলিশ সুপারসহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে যশোরের বিভিন্ন পেশার মানুষেরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ