• রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ০২:৫২ অপরাহ্ন
  • ই-পেপার
শিরোনাম :
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী সংঘের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পল্টুর দূর্নীতি-অনিয়ম তদন্তের নামে সময়ক্ষেপণ, ক্ষুদ্ধ বন্দরের কর্মচারীরা বর্ণাঢ্য আয়োজনে যবিপ্রবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালন রানীশংকৈলে তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা মোংলায় প্রধানমন্ত্রীর ৭৪ তম জন্মদিন পালন যশোরের শার্শার ডিহিতে গণহারে টিকা নিতে মানুষের উপচে পড়া ভিড় ছুরিকাঘাতের শিকার (এএসআই) পেয়ারুল ইসলাম মারা গেছেন স্বার্থপর সাধন কুমার দাস ঝিনাইদহের মোবারকগঞ্জ চিনি কল রক্ষায় প্রশংসনীয় উদ্যোগ নড়াইলে মহিলার যাবজ্জীবন কারাদন্ড!! নড়াইলে মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায়  এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত
নোটিশ :
সাপ্তাহিক রেড নিউজ এ আপনাকে স্বাগতম! এখন থেকে আপনারা প্রিন্ট ভার্সনের পাশাপাশি ২৪ ঘন্টা অনলাইনে খবরা-খবর দেখতে পাবেন। আমাদের সাথেই থাকুন, ধন্যবাদ। খালি থাকা সাপেক্ষে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগাযোগ - ০১৭১১-০৫৯৯৮৭

রতনকান্দি একডালা ইইছামতি নদীতে এলাকা বাসির দাবি একটি ব্রিজের

মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃ / ১৬৮ বার পড়া হয়েছে
আপডেটের সময়ঃ শনিবার, ১৯ জুন, ২০২১

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলাধীন রতনকান্দি ইউনিয়নের একডালা গ্রামের ইছামতি নদীতে আজও হলো না কোন ব্রিজ এলাকা বাসির দাবী!

সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায় বা এলাকা বাসির মুখে শুনা যায় যে ,এই তো আর কয়দিন, আর কিছু দিন পর থেকে স্বাধীন বাংলাদেশে আবার ও আমাদের পরাধীন ভাবে চলাচল করতে হবে। একডালা গ্রামের প্রায় ৬ হাজার এর বেশি ভোটার। তাদের দাবী যে শত শত বছর পার হয়ে যাচ্ছে কেন আমরা নদীতে ব্রিজ দেখতে পারছি না। আমাদের গ্রামে অনেক গণমান্য মাত্ববর আছেন যারা চাইলে এই বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের নিকট দরখাস্ত করতে পারে। আমরা তো গ্রামের সাধারণ মানুষ তাই আমাদের মুখের কথার কোন দাম নেই। একডালা গ্রামেরই সন্তান মোঃ শাহিন আলম বাংলাদেশ সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন যে সরকারকে দৃষ্টি আষকণ করছি। জন্মের পর থেকে নৌকা নৌকা বলে মিছিল করছি আজ এখন পযন্ত ও সেই নৌকাতেই ঝুকির মধ্যে দিয়ে পারাপার হতে হয়। আমাদের একডালা গ্রামে প্রায় ৬ হাজার এর মতো ভোটার। গ্রামের অধিকাংশ মানুষদের জমিজমা নদীর পশ্চিমপাড় হওয়াতে অনেক কষ্ট করে তারা জমিতে ফসল ফলান।মোট কথা হলো নদীতে পানি যখন বেশি হয় তখন খুবই বিপদজনক ভাবে পারপার হতে হয়।তিনি আরো বলেন একডালা নদীর পশ্চিম পাড়ের সকল জনগণকে নদী পার হয়েই বিভিন্ন কর্মে যোগদান করতে হয়। তাছাড়া ছোট ছোট শিশু বাচ্চাদের লেখা পড়ার জন্য ও নদী পার হতে হয়।আমাদের মহল্লার যদি কেউ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে আমরা সাথে সাথে হাসপাতালে নিতে পারি না।নৌকা কখন এপার আসবে তখন ঐপারে পারি দিতে হয়।এই পথ যে কত বিপদজনক সেটা হয়তো আপনাদের জানা নেই।আর কিছু বলার নেই। শুধু এইটুকুই বলব যে স্বাধীন বাংলাদেশে কেন আমরা পরাধীন ভাবে চলাচল করব? কিন্তু এভাবে আর কত দিন। আমরা এটাও জানি যে বাংলাদেশ সরকার বিগত বছর বা চলতি বছর অনেক উন্নতি করেছে। এই পথ যে কত বিপদজনক সেটা হয়তো আপনাদের জানা নেই।আর কিছু বলার নেই। শুধু এইটুকুই বলব যে স্বাধীন বাংলাদেশে কেন আমরা পরাধীন ভাবে চলাচল করব?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ