• বৃহস্পতিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:৫১ অপরাহ্ন
  • ই-পেপার
শিরোনাম :
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী সংঘের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পল্টুর দূর্নীতি-অনিয়ম তদন্তের নামে সময়ক্ষেপণ, ক্ষুদ্ধ বন্দরের কর্মচারীরা বর্ণাঢ্য আয়োজনে যবিপ্রবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালন রানীশংকৈলে তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা মোংলায় প্রধানমন্ত্রীর ৭৪ তম জন্মদিন পালন যশোরের শার্শার ডিহিতে গণহারে টিকা নিতে মানুষের উপচে পড়া ভিড় ছুরিকাঘাতের শিকার (এএসআই) পেয়ারুল ইসলাম মারা গেছেন স্বার্থপর সাধন কুমার দাস ঝিনাইদহের মোবারকগঞ্জ চিনি কল রক্ষায় প্রশংসনীয় উদ্যোগ নড়াইলে মহিলার যাবজ্জীবন কারাদন্ড!! নড়াইলে মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায়  এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত
নোটিশ :
সাপ্তাহিক রেড নিউজ এ আপনাকে স্বাগতম! এখন থেকে আপনারা প্রিন্ট ভার্সনের পাশাপাশি ২৪ ঘন্টা অনলাইনে খবরা-খবর দেখতে পাবেন। আমাদের সাথেই থাকুন, ধন্যবাদ। খালি থাকা সাপেক্ষে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগাযোগ - ০১৭১১-০৫৯৯৮৭

করোনা ঝুঁকিতেও নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফরা

আশানুর রহমান আশা ,বেনাপোলঃ / ১৮৩ বার পড়া হয়েছে
আপডেটের সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন, ২০২১

 দেশের সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর বেনাপোলে সরকারি রাজস্ব আহরণে, কাস্টমস হাউজের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফ এসোসিয়েশনের সদস্য।
করোনাকালিন সময়ে নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকা স্বত্বেও, নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফ এসোসিয়েশনের ২৫৭৩ সদস্য। তারা সকাল ৯টা থেকে রাত অবধি কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে রাজস্ব আদায়ে।
অথচ সরকারি, প্রশাসনিক কিংবা সামাজিক ভাবে এসব সদস্যদের ঝুঁকিপূর্ণ সময়ে কেউ এগিয়ে আসেনি। তাই করোনা ঝুঁকিতে তারা সপ্তাহের ৭ দিনই, নিজেদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিজেরা করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
মেসার্স সারথি এন্টারপ্রাইজের স্টাফ ইসরাইল হোসেন বলেন, করোনাকালিন সময়ে অনেকটাই ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। সরকারি কিংবা সামাজিক ভাবে করোনা প্রতিরোধে আমাদেরকে কোন সাহায্যই দেওয়া হয়নি। অফিসের তরফ থেকে আমাদেরকে শুধু মাত্র মাস্ক দেওয়া হয়। সেই সুরক্ষা নিয়েই আমরা কাজ করে চলেছি।
বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফ এসোসিয়েশনের সাঃ সম্পাদক সাজেদুর রহমান বলেন, আমরা আমাদের এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সকল স্টাফদের মাঝে গত বছর করোনাকালিন সময়ে নগদ অনুদান, সুরক্ষা সামগ্রী, হেন্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক বিতরণ করেছিলাম। কিন্তু এ বছর করোনা দ্বিতীয় ঢেউ এ সরকারি কিংবা সামাজিক ভাবে কেউ এগিয়ে আসেনি। সদস্য ভাইরা যে যেভাবে পারছে, তাদের কাজে ছুটে চলছে। তিনি বলেন, আমি মনে করি রাজস্ব আহরণে নিয়োজিত এসব সৈনিকদের দিকেও সবার দৃষ্টি দেওয়া উচিত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ